মাধবদীতে কিশোরী হত্যা: অপহরণ নয়, প্রেমের সম্পর্ক’ পরিবারের স্বীকারোক্তি
মাধবদীতে কিশোরী হত্যা: বাবার সামনে অপহরণ, পরদিন লাশ উদ্ধার
নরসিংদীর মাধবদীতে আলোচিত আমেনা মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ, অন্যদিকে প্রেমের সম্পর্কের দাবি—দুই তথ্য সামনে আসায় তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।
প্রতিবাদ ও দ্রুত বিচারের দাবি
ঘটনাটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসন ও সাধারণ নাগরিক দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক এবং নরসিংদী সদর আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।
৫ জন আটক
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, এ ঘটনায় মোট ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন—
-
আহাম্মদ আলী দেওয়ান (৬৫)
-
মো. এবাদুল্লাহ (৪০)
-
মো. আইয়ুব (৩০)
-
মো. ইমরান দেওয়ান (৩২)
-
গাফফার (৩৪)
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে আহাম্মদ আলী দেওয়ান স্থানীয়ভাবে বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং মো. এবাদুল্লাহ জামায়াতের কর্মী হিসেবে পরিচিত। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
এজাহারে গাফফার ও এবাদুল্লাহর বিরুদ্ধে সরাসরি ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। মামলার প্রধান আসামি নূরা এখনো পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ।
প্রেমের সম্পর্কের দাবি
এদিকে তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র এবং পরিবারের সাম্প্রতিক বক্তব্যে দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের সঙ্গে কিশোরীর পূর্বপরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক ছিল।
তবে এ বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করেনি। তদন্ত চলমান থাকায় বিষয়টি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
আরো পড়ূনঃ https://bartanow.com/madhabdi-kishori-hotta/
তদন্ত চলছে
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট, ডিজিটাল আলামত এবং সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সকল তথ্য যাচাই শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সতর্কতা ও সামাজিক প্রেক্ষাপট
ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে। তবে যাচাই ছাড়া তথ্য প্রচার বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি।



