২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর এটিই ছিল দেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন। তাই, এ নির্বাচনে দেশের অধিকাংশ আসনেই বিএনপি প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।

গণতন্ত্রের নতুন পথচলা
দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর দেশে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই ঢাকাসহ সারাদেশের রাজপথে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। সেই সাথে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এই জয়কে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন।
আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব
এই নির্বাচনের ফলাফল শুধুমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নয়। বরং, ভারত, চীন এবং পাকিস্তানের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এফএমআই-এর ব্রুস অ্যালেন এই জয়ের বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, “এই নির্বাচনের প্রকৃত বিজয়ী হলো বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ যারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছে।”

শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ ও ভবিষ্যৎ
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া ছিল মূলত শান্তিপূর্ণ। বিএনপির এই ভূমিধস বিজয় দলটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জও নিয়ে এসেছে, বিশেষ করে দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠন এবং সুশাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে। এই বিষয়ে আরও জানতে আমাদের আগের বিশেষ প্রতিবেদনটি পড়ুন।
নির্বাচনের বিস্তারিত ফলাফল ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুন Al Jazeera। এছাড়া বিএনপি প্রধান তারেক রহমান শীঘ্রই নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।



